1. live@www.sherpurinsight.online : - : -
  2. info@www.sherpurinsight.online : - :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার… নাসিমা হামিদ শিমু – উত্তরাধিকার, দমন-পীড়ন ও অটল আনুগত্যের এক রাজনৈতিক প্রতিচ্ছবি… শেরপুরে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত… অন্তবর্তী সরকারের ২১ টি অধ্যাদেশ সংসদে পাশ, বাতিল তিনটি… মালেশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, খোলা হচ্ছে শ্রম বাজার… যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো সৌদি ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন আলাপ… হাদী হত্যা মামলার প্রধান আসামী ফয়সালের ১০ বছরের কারাদণ্ড… শেরপুর – ৩ আসনে ভোট বর্জন করলেন জামায়াতের এমপি প্রার্থী… শেরপুরে জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়… প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্য প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সিন্ধান্ত নিয়েছে সরকার : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

শেরপুরে আবাসিক ভবনে ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুদ, খুচরা ব্যাবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা…

ডেস্ক রিপোর্ট, শেরপুর ইনসাইট :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

 

নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসিক ভবনে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রেখে ব্যবসা পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না রাখার অভিযোগে শেরপুরে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান অভিযানে নেতৃত্ব দেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুত রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি আবাসিক ভবনে স্থায়ীভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেন আদালত।

গতকাল দিবাগত মধ্যরাতে শেরপুর শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জানা যায়, ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের মালিকানাধীন মেসার্স শিমলা ট্রেডার্স দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রান্তিক কৃষক ও দোকানদারদের কাছে ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি করে আসছিলেন। তাঁদের খুচরা তেল বিক্রির লাইসেন্স থাকলেও পরে আবাসিক ভবনের নিচে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি বড় ট্যাংক নির্মাণ করা হয়। সেখানে প্রায় ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুত রাখা হয়েছিল। এ ছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরসহ কয়েকটি সরকারি দপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও তাঁদের কাছে পাওয়া যায়নি।

অভিযানের সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সেলিম রেজা এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘খুচরা দোকানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। এ কারণে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তবে এ বিষয়ে ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের বক্তব্য জানতে চাইলে তাঁরা সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট