1. live@www.sherpurinsight.online : - : -
  2. info@www.sherpurinsight.online : - :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আরও উত্তপ্ত হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত, নয়াদিল্লি বৈঠকও ব্যার্থ সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেফতার শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ জামালপুর সীমান্তে ভারতীয়-বাংলাদেশীদের ইট পাটকেল ছুড়াছুড়ি, উত্তেজনা চরমে শেরপুরে “শান্তি-শৃঙ্খলা উন্নয়ন ও সামাজিক সচেতনতায় যুবদের ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে শিক্ষার্থী সাইফ হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম, সড়ক অবরোধ শেরপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কোন স্থানে সর্বাধিক উপযুক্ত বিসিবির সভাপতি নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল হাসপাতাল নিজেই আজ আইসিইউতে বলে সংসদে মন্তব্য করলেন ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা লালমনিরহাটে পুশইনের চেষ্টা, লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএসএফ কে ধাওয়া দিল এলাকাবাসী

কিশোরগঞ্জে তলিয়ে গেছে ১০ হাজার হেক্টর জমি, বাড়ছে নদ-নদীর পানি

আনিসুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

 

আনিসুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার : টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার ইটনা, অষ্টগ্রামসহ বিভিন্ন উপজেলায় ১০ হাজার হেক্টরের বেশি জমির ধান পানির নিচে চলে গেছে।

সোমবার (৪ মে) সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী জেলার ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.২৬ মিটার, যা আগের দিনের তুলনায় ১০ সেন্টিমিটার বেশি।

চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি ২.৯৫ মিটার, বৃদ্ধি পেয়েছে ১৭ সেন্টিমিটার। অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি ২.৫৮ মিটার, যা ১৮ সেন্টিমিটার বেড়েছে। তবে ভৈরব বাজার পয়েন্টে মেঘনা নদীর পানি কমে ১.৭২ মিটারে নেমেছে, যা গতকালের তুলনায় ৫ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সবকটি নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৮৯ থেকে ৪০৮ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।

নিকলী আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার আখতার ফারুক জানান, রবিবার মধ্যরাত থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত জেলায় ৩২.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ সারাদিনই থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একদিকে খেতের পাকা ধান তলিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে কাটা ধান শুকানো নিয়ে তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। বৃষ্টির কারণে খলায় রাখা ধান শুকাতে না পারায় অনেক স্থানে ধানে চারা গজিয়ে গেছে কিংবা পচে যাচ্ছে। হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল নিয়ে এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন হাওরের কয়েক হাজার পরিবার।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, শনিবার বিকেল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, জেলায় মোট ১০ হাজার ৫০ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলা। কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “আমরা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি। উজানের পানির চাপ ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পানি আরও বাড়তে পারে। আমরা কৃষকদের দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দিয়েছিলাম এবং বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি বিভাগকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট