1. live@www.sherpurinsight.online : - : -
  2. info@www.sherpurinsight.online : - :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আরও উত্তপ্ত হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত, নয়াদিল্লি বৈঠকও ব্যার্থ সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেফতার শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ জামালপুর সীমান্তে ভারতীয়-বাংলাদেশীদের ইট পাটকেল ছুড়াছুড়ি, উত্তেজনা চরমে শেরপুরে “শান্তি-শৃঙ্খলা উন্নয়ন ও সামাজিক সচেতনতায় যুবদের ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে শিক্ষার্থী সাইফ হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম, সড়ক অবরোধ শেরপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কোন স্থানে সর্বাধিক উপযুক্ত বিসিবির সভাপতি নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল হাসপাতাল নিজেই আজ আইসিইউতে বলে সংসদে মন্তব্য করলেন ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা লালমনিরহাটে পুশইনের চেষ্টা, লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএসএফ কে ধাওয়া দিল এলাকাবাসী

বড় ভূমিকম্পের সংকায় বাংলাদেশ, আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের…

ডেস্ক রিপোর্ট, শেরপুর ইনসাইট :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে

 

এবার বাংলাদেশ অঞ্চলে সবশেষ ৯৬ বছর আগে ১৯৩০ সালের সর্বোচ্চ ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। এর আগের ৬৫ বছর ভূমি তছনছ করা ভূমিকম্প হয়েছিল ৬ বার। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিশ্চিত করে কিছু বলা না গেলেও প্রায় শত বছর পার করা এসব প্লেট যেকোনো সময় তীব্র ঝাঁকুনি সৃষ্টি করতে পারে। এ অবস্থায় বাসাবাড়িসহ সব অবকাঠামো ভূমিকম্প সহনীয় করে তোলাই হবে প্রধান প্রস্তুতি। গত বছরের ২১ নভেম্বর দেশের অভ্যন্তরে বড় ভূকম্পনটি হয় নরসিংদীতে। ইন্দো–বার্মা টেকটনিক প্লেটের এই অংশে ঝাঁকুনির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭ মাত্রা। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে কয়েকজনের প্রাণহানী ঘটে। আর মাত্র তিন মাসের মাথায় গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর ৫ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ফের কেঁপে উঠলো সারাদেশ।

চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই ১০ দফা ভূকম্পন। গড়ে প্রায় দুই দিনে একটি। এমন ঘনঘন কম্পন কি বড় বিপর্যয়ের আভাস? এ বিষয়ে ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বারবার যদি ভূমিকম্প হয়, আমরা জানি প্লেট বাউন্ডারিতে গেলে সেখানে শক্তি সৃষ্টি হয়। শক্তিগুলো জমা হতে হতে যদি আর জায়গা না পায় তখন সেটা বিস্ফোরণ ঘটে, শক্তিটুকু বের হয়ে আসে। এমতাবস্থায় বারবার যদি এরকম বের হওয়ার চেষ্টা করে, তখন সেখানে মনে হয় যে একটা বড় ধরনের ভূমিকম্প হতে পারে। তিনি আরও বলেন, বিল্ডিং এসেসমেন্ট করতে হবে। সেটা ইঞ্জিনিয়ারদের শেখাতে হবে। আর সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বাড়ি ও স্থাপনাগুলোর মালিক, তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, না হয় তো তারা করবে না।

বাংলাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- সবশেষ ১৮৯৭ সালের ১২ই জুন ‘গ্রেট ইন্ডিয়ান আর্থকোয়েক‘ ছিল ৮ মাত্রারও বেশি। গবেষণা বলছে, বাংলাদেশের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া কিছু বড় প্লেট বাউন্ডারি আর ভেতরে ও অতি নিকটের ফল্ট লাইনগুলোর ১০০ থেকে ১৫০ বছর পর পর ৭ এর বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে। ৮ এর অধিক মাত্রার ভূমিকম্পেরও আশঙ্কা আছে, যা ২৫০ থেকে হাজার বছর পর পর ফিরে আসে।

এদিকে, পরিসংখ্যান বলছে, শুধু রাজধানী ঢাকায় ২১ লাখ বাসাবাড়ি আছে। যার ৩০ শতাংশই ৬ তলার বেশি। এগুলোর ৯০ শতাংশই ভূমিকম্প সহনীয় নয়। আর সারাদেশে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও অবকাঠামো আছে শত শত। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, আমাদের নতুন ছোট ছোট ভূমিকম্প নিয়ে চিন্তা ও উদ্বেগেরও কিছু নেই। কিন্তু অতীতে যে বড় ভূমিকম্পগুলো হয়েছে, ওগুলো নিয়ে চিন্তার বিষয় আছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট