শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সারাদেশে জরুরি সতর্ক বার্তা দিল পুলিশ সদর দপ্তর ব্রাজিল–জাপানের লড়াইয়ে শেষ হাসি কার..? পরিসংখ্যান কি বলছে…? শেরপুরে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের উদ্ধুদ্ধকরন ও শিক্ষা উপকরন বিতরণ শেরপুরে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে সজন মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রের মাদকবিরোধী র‍্যালি শেরপুর পৌরসভার প্রায় ৭১ কোটির টাকার বাজেট ঘোষণা শেরপুরে ক্যাডেট এএসআই নিয়োগের প্রথম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন ৬০০ কোটি ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান, ক্ষোভে ফুঁসছে নেতানিয়া’হু ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যাবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করলো আরব আমিরাত শ্রীবরর্দীর ঢেউপা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন এমপি রুবেল ও জেলা প্রশাসক ৫-১ গোলের ব্যবধানে জয়ের পর বিশ্বকাপে ৫-১ গোলের ব্যাবধানেই পরাজয় সুইডেনের

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসির রায়

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

 

ডেস্ক রিপোর্ট, শেরপুর ইনসাইট : ঢাকা, ৭ জুন রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যার বহুল আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত রায়ে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেন। আদায়কৃত অর্থ ভুক্তভোগী শিশু রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিচারকাজ চলাকালে আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বিচারক বলেন, রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে উঠে আসে, ঘটনার পর সোহেল রানাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছিলেন তার স্ত্রী স্বপ্না। আদালত উভয় আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেন।

গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরপরই সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে দ্রুত তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

বিচার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিচার শুরু থেকে রায় ঘোষণা পর্যন্ত মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে, যা দেশের বিচারিক ইতিহাসে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ক্ষেত্রে অন্যতম দ্রুততম বিচার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রায় ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার পরিবারের সদস্যরা ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই রায় নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে এমন অপরাধ দমনে সহায়ক হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews