শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সারাদেশে জরুরি সতর্ক বার্তা দিল পুলিশ সদর দপ্তর ব্রাজিল–জাপানের লড়াইয়ে শেষ হাসি কার..? পরিসংখ্যান কি বলছে…? শেরপুরে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের উদ্ধুদ্ধকরন ও শিক্ষা উপকরন বিতরণ শেরপুরে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে সজন মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রের মাদকবিরোধী র‍্যালি শেরপুর পৌরসভার প্রায় ৭১ কোটির টাকার বাজেট ঘোষণা শেরপুরে ক্যাডেট এএসআই নিয়োগের প্রথম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন ৬০০ কোটি ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান, ক্ষোভে ফুঁসছে নেতানিয়া’হু ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যাবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করলো আরব আমিরাত শ্রীবরর্দীর ঢেউপা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন এমপি রুবেল ও জেলা প্রশাসক ৫-১ গোলের ব্যবধানে জয়ের পর বিশ্বকাপে ৫-১ গোলের ব্যাবধানেই পরাজয় সুইডেনের

আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইরানে হামলার প্রস্তুুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

 

ডেস্ক রিপোর্ট, শেরপুর ইনসাইট : মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি বিশেষ প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দুজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বরাতে জানা যায়, দুই দেশের সামরিক বাহিনী বর্তমানে এক নিবিড় প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমে ব্যস্ত রয়েছে। গত এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির পর থেকে এখন পর্যন্ত এটিকে সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

তেল আবিবের বেন গুরিওন বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলোর অবস্থান এবং সামরিক গতিবিধি এই প্রস্তুতির সত্যতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ আইনপ্রণেতাদের জানান, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমেরিকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। ওয়াশিংটন প্রয়োজনে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে, কৌশলগতভাবে পিছু হটতে অথবা যুদ্ধক্ষেত্রের সম্পদ অন্য স্থানে সরিয়ে নিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তবে মার্কিন প্রশাসন এখনই আলোচনার পথ একেবারে বন্ধ করতে চাইছে না, যদিও কূটনৈতিক সমাধানের ক্ষেত্র ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, ইরান এর আগে একাধিকবার চুক্তিতে সম্মত হলেও পরবর্তীতে তা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় বলেন, প্রতিবার একটি চুক্তি হওয়ার পরদিনই তারা এমন আচরণ করে যেন এই বিষয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি। পূর্ববর্তী চুক্তিগুলোর একটি অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল ইরানকে তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে, যা পরবর্তীতে মাটির গভীর থেকে নিষ্কাশন করার কথা ছিল।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলা পুনরারম্ভ হলে ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ৯০ শতাংশে উন্নীত করতে পারে বলে হুমকি দিয়েছেন ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই। এর জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানি স্থাপনা ধ্বংস করে ইউরেনিয়াম মাটির নিচে চাপা দেওয়ার চেয়ে সেটি সরাসরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বেশি পছন্দ করবেন।

ইরানের উদ্দেশ্যে একটি চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সামনে এখন দুটি পথ খোলা রয়েছে—হয় তারা একটি স্থায়ী চুক্তিতে আসবে, অন্যথায় তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখোমুখি হতে হবে। যেকোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ এই পরিস্থিতিতে চুক্তি করবে উল্লেখ করে তিনি মন্তব্য করেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব হয়তো কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণ করছে এবং মার্কিন প্রশাসন তাদের প্রতি আর বেশিদিন ধৈর্য দেখাবে না।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews